রাজধানীর কদমতলীতে বাড়ির মালিকের পাওনা টাকার চাপে ওই বাড়ির শহিদুল ইসলাম (৪১) নামের এক ভাড়াটিয়া আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

রোববার রাত সাড়ে ১০টায় স্মৃতিধারা এলাকায় ৬ নম্বর রোডের ২৪৫/৩ স্মৃতিধারা আবাসিক এলাকার আব্দুল করিমের বাড়ির নিচতলার ফ্ল্যাট থেকে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

ঘটনার দিন তার স্ত্রী নারায়ণগঞ্জে তার বোনের বাসায় ছিলেন। শহিদুল এক সন্তানের জনক।

তার গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার কলাকান্দি গ্রামে। তার পিতার নাম আব্দুল বাতেন। তিনি রাজধানীর কাপ্তান বাজারে মুরগীর ব্যবসা করতেন।

জানা যায়, শহিদুল ইসলাম স্মৃতিধারা আব্দুল করিমের বাড়ির নিচতলায় ভাড়া থাকতেন। সেই সুবাদে বাড়িওয়ালার সঙ্গে তার ব্যবসায়িক লেনদেন ছিল। শহিদুলের কাছে দেড়লাখ টাকা পেতেন বাড়ির মালিক আব্দুল করিম। কয়েকদফায় টাকা দিতে পারেননি শহিদুল। রোববার ছিল টাকা দেয়ার পঞ্চম দফার তারিখ।

বাড়ির মালিক আব্দুল করিম রোববার সকাল থেকে শহিদুলকে টাকা দেয়ার জন্য ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করেন। এসময় তিনি বলেছেন, আজ টাকা না দিলে এ টাকার পরিবর্তে ছয় লাখ টাকা দিতে হবে। বাড়ির মালিকের ব্যাপক চাপসৃষ্টি সইতে না পেরে শহিদুল আত্মহত্যা করেছেন বলে এলাকায় অভিযোগ ওঠে।

বাড়ির মালিক আব্দুল করিম যুগান্তরকে বলেন, আমি শহিদুলের নিকট দেড়লাখ টাকা পাব। তবে তার সঙ্গে আমার এক/দেড় মাস কোন কথা হয়নি। আজ টাকা দেয়ার কথা ছিল। সন্ধ্যায় জানতে পারি সে আত্মহত্যা করেছে।

কদমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ জামাল উদ্দিন মীর যুগান্তরকে বলেন, শহিদুলের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি আত্মহত্যা কিনা নিশ্চিত হতে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) পাঠানো হবে।

আরো পড়ুন